বিজেপি মতুয়াদের মিথ্যা বোঝাচ্ছে

আজকের খবর বিশেষ খবর মতামত

Last Updated on 6 months by admin

বিজেপি মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের বার বার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে সিএএ অর্থাৎ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব প্রদান করবে অর্থাৎ জাতীয় নাগরিক পঞ্জীতে (এনারসি) নাম ঢুকিয়ে দেবে । এই বুঝিয়ে তারা লোক সভা নির্বাচনে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়েছিল।এই প্রতিশ্রুতি যে কতটা অসার এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তা সিএএ আইন এবং এর ইতিহাস খানিক পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায়। তার চেয়েও বড় বিষয় হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুর যে আত্মাভিমান মতুয়াদের মধ্যে জাগ্রত করতে চেয়েছিলেন তা সম্পূর্ণ ব্রাহ্মণ্য ধর্ম বিরোধী। সে বিচারে অন্যান্য মূলবাসী জনজাতিদের মতই এদের বিজেপির ব্রাহ্মণ্যবাদী মেরুকরণের রাজনীতির বিরোধিতা করা উচিত –  লিখছেন  প্রণব কান্তি বসু

বিজেপি মতুয়াদের মিথ্যা বোঝাচ্ছে

প্রণব কান্তি বসু

এ মাসের ২৬ তারিখ মোদি সাহেব বাংলাদেশ গিয়েছিলেন। তার সফরসূচীও পশ্চিম বাংলার নির্বাচন মাথায় রেখে তৈরি হয়েছিল। তিনি গোপালগঞ্জে হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্ম ভিটে দেখবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন এবং গিয়েছিলেন। এর কারণ হরিচাঁদ ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের বিস্মৃত আত্মপরিচিতি ফের প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাই এই পরিদর্শনের ফলে নির্বাচনে মতুয়াদের সমর্থন পাওয়া যেতে পারে। বিজেপি মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের বার বার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে সিএএ অর্থাৎ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব প্রদান করবে অর্থাৎ জাতীয় নাগরিক পঞ্জীতে (এনারসি) নাম ঢুকিয়ে দেবে । এই বুঝিয়ে তারা লোক সভা নির্বাচনে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়েছিল। এই প্রতিশ্রুতি যে কতটা অসার এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তা সিএএ আইন এবং এর ইতিহাস খানিক পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায়। তার চেয়েও বড় বিষয় হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুর যে আত্মাভিমান মতুয়াদের মধ্যে জাগ্রত করতে চেয়েছিলেন তা সম্পূর্ণ ব্রাহ্মণ্য ধর্ম বিরোধী। সে বিচারে অন্যান্য মূলবাসী জনজাতিদের মতই এদের বিজেপির ব্রাহ্মণ্যবাদী মেরুকরণের রাজনীতির বিরোধিতা করা উচিত।

হিন্দুত্ববাদ  আদতে ব্রাহ্মণ্যবাদ (বিষদ আলোচনা: ‘নাগরিকত্ব ও হিন্দুত্ব’ অনীক, ডিসেম্বর, ২০২০)। এই পরিপ্রেক্ষিতে স্মরণ করা যেতে পারে গত ২২ ফেব্রুয়ারি, ঝাড়খণ্ডের মুখ্য মন্ত্রী, হেমন্ত্ সোরেম, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণে বলেন যে মূলবাসী জনজাতিদের নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাস ও রীতি আছে, তারা মোটেই কোন কালে হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত ছিল না। তিনি আবেদন করেন যে আগের জনগণনাগুলিতে প্রতিষ্ঠিত বৃহৎ ধর্মের বাইরে ‘অন্যান্য’ চিহ্নিত করার যে সুযোগ ছিল তা যেন পুনর্বহাল করা হয়।

৫০-এর দশকের গোঁড়া থেকে আরএসএস অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রম, সরস্বতী শিশু মন্দির, একল বিদ্যালয়ের মত প্রতিষ্ঠান গঠন করে। এই প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে দিয়ে আরএসএস-এর কর্মীরা নিরন্তর কাজ ক’রে মূলবাসী জনজাতিদের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করছে। এরা যাদের হিন্দু সমাজের বহি:স্থিত, নিকৃষ্ট সম্প্রদায় মনে করে, তাদের মধ্যেও সুকৌশলে মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধদের প্রতি বিদ্বেষ ছড়াতে খানিক সফল হয়েছে। এই রাজনৈতিক কৌশলের শিকার হয়ে কিছু সম্প্রদায় কি ভাবে তাদের নিজস্ব পরিচয় বিস্মৃত হয়ে ব্রাহমণ্যবাদের ছাতার তলে সামিল হচ্ছে তার অন্যরম উদাহরণ মতুয়া সম্প্রদায়। গোড়াতে এই সম্প্রদায়, সম্ভবত, কোন প্রাচীন জনজাতি ছিল যার নাম এই সম্প্রদায়ের কারো কারো মতে ‘নম:’ ছিল। ইংরেজরা ১৯০১-এর আদমশুমারি পর্যন্ত এদের চণ্ডাল বর্গ ভুক্ত করে – অর্থাৎ, এরা যে চতুর্বর্ণ প্রথার বাইরে তা স্বীকার করা হয়। হরিচাঁদ ঠাকুর এবং, পরে, তার ছেলে গুরুচাঁদ ঠাকুর এই সম্প্রদায়ের মধ্যে তাদের স্বাতন্ত্র্য বোধ জাগিয়ে তোলেন একটি ধর্মীয়-সামাজিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে। গুরুচাঁদ ঠাকুরের নেতৃত্বে এই সম্প্রদায় আদমশুমারিতে পৃথক বর্গ হিসাবে নথিভুক্ত হওয়ার দাবী তোলে। আন্দোলন আংশিক সাফল্য লাভ করে – তারা ১৯১১ সালের আদমশুমারিতে ‘নম:শূদ্র’ নামে নথিভুক্ত হয়। শব্দ বন্ধনীর মধ্যে শূদ্র থাকায় এই সম্প্রদায় ব্রাহ্মণ্য ধর্মের নিম্ন বর্গভুক্ত হল। এদের ধর্মীয় আচার ও বিশ্বাস সম্পূর্ণ ভাবে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের বিরোধী। এরা বর্ণ ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না; দীক্ষা দানে বিশ্বাস করে না। হরিচাঁদ ঠাকুর যে ধর্ম প্রচার করেন তাতে নিজেদের বৈষ্ণব পন্থী বলে পরিচয় দেয় তাই এরা বর্ণ ব্যবস্থা বিরোধী ভক্তি আন্দোলনের ধারক। হরিচাঁদ ঠাকুর বস্তুত এক প্রকার নিজস্ব দর্শন ভিত্তিক ধর্ম আচারে বিশ্বাস করত। তার বানী অনেকটাই শিক্ষার মাধ্যমে সামাজিক উত্থানের বানী। এরা নিজেদের মতুয়া সম্প্রদায় বলে চিহ্নিত করে। ‘মতুয়া’ নামটি সম্ভবত ‘মাতোয়ারা’ থেকে এসেছে। মতুয়া নামটির মধ্যে এদের ধর্মাচারের গূঢ় তত্ত্ব নিহিত। ব্রাহ্মণদের মধ্যস্থতা ছাড়াই এরা নাম জপ করতে করতে আত্মহারা হয়। বিভিন্ন ভক্তি ধারার – সুফি, শিখ, ইত্যাদি – মত এরাও আত্মদর্শনে বিশ্বাসী। সুফি দর্গায় যেমন অনেক হিন্দু, শিখ, ইত্যাদি চাদর চড়ায়, তেমনই বাংলাদেশের ওড়াকাঁন্দির কামনা সাগরে ডুব দিতে অনেক মুসলমান আসে। এপারে, ঠাকুরনগরে, অনেক ওড়িয়া আদিবাসী আসে। এই অহিন্দু সম্প্রদায়কে নির্বাচনী লাভের জন্য সম্প্রতি বিজেপি-আরএসএস হিন্দুত্ববাদী, যা আদতে ব্রাহ্মণ্যবাদী, ধর্মে টানছে এবং মতুয়াদের একটি অংশ প্রলোভনে পা দিচ্ছে, অথবা নাগরিকত্ব রক্ষার মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে আশ্বস্ত হচ্ছে

এই প্রতিশ্রুতি কেন রক্ষা করা সম্ভব নয়?

প্রথমত, বুঝতে হবে মতুয়া সম্প্রদায়কে সরাসরি এনারসি-তে কেন অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। এর সহজ উত্তর এর জন্য প্রয়োজনীয় নথি এদের নেই। আমরা স্পষ্ট জানি না এনারসি-র জন্য কি কি নথি লাগবে। অনুমান করতে হবে দুটি সূত্র ধরে। প্রথমত, ২০০৩ এর Citizenship rules-এ বলা আছে যে জাতীয় জন পঞ্জী (এনপিআর)-এ সংগৃহীত তথ্য যাচাই করে তবেই কাউকে এনারসি-তে নথিভুক্ত করা হবে। তাই এনপিআর-এ যা যা তথ্য চাওয়া হয়েছে তা প্রমাণ করতে যে নথিগুলি প্রয়োজন সেগুলি অবশ্যই দাখিল করতে হবে। কয়েকটি মাত্র উল্লেখ করছি: আগে কোথায় থাকতেন, কত দিন থাকতেন; আপনার বাবা, মা, স্বামী বা স্ত্রী সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য, ইত্যাদির, প্রমাণ পেশ করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, যে হেতু আসামেই এক মাত্র এনারসি করা হয় তাই ঐ রাজ্যে যা যা নথি চাওয়া হয়েছিল তা চাওয়া হবে। আসাম এনারসি-তে কি কি চাওয়া হয়েছিল? ১৯৭১ এর আগে ভোটার তালিকায় আপনার নাম; স্থায়ী বসবাসের সরকারি প্রমাণ পত্র; শরণার্থী প্রমাণ; পাসপোর্ট; LIC শংসাপত্র; সরকার থেকে প্রাপ্ত কোন শংসাপত্র; আদালতের দলিল; জন্মের শংসাপত্র; সরকারি চাকরীর শংসাপত্র; বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শংসাপত্র; ব্যাঙ্কের পাস বই। মতুয়ারা যে হেতু প্রায় সবাই ১৯৭১ সালের পর এসেছেন তাই ১৯৭১ সালের আগে ভোটার তালিকায় নাম বা কোন অধিবাসী প্রমাণ দেখান সম্ভব নয়।

এ সমস্ত কারণেই বেশীর ভাগ মতুয়াদের নাগরিকত্ব বিপন্ন হবে নাগরিক পঞ্জী চালু হলে। বিজেপি তাই ভুল বোঝাচ্ছে যে সিএএ- এর মাধ্যমে মতুয়াদের নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। এর সত্যাসত্য যাচাই করা যাক।

প্রথমত, যারা এনারসি-এর বিরোধিতা করে তাদের বক্তব্য আমরা, যাদের পূর্বপুরুষ উদ্বাস্তু হয়ে এসেছিল এবং উদ্বাস্তু কলোনিতে ঠাই পেয়েছিল, তারা তো ভোট দিচ্ছি, আমাদের রেশন কার্ড আছে, কলোনি জমি প্রয়োজনে বিক্রি করছি, আইন ব্যবস্থার সুযোগ পাচ্ছি, পুলিসের সাহায্য নি, অর্থাৎ নাগরিকের সমস্ত অধিকার আছে। আবার নতুন নাগরিকত্ব প্রদান করার মানে কি? তাহলে কি আমাদের প্রথমে বে-নাগরিক ঘোষণা করা হবে?’ মতুয়া সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও একই যুক্তি খাটে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে, যেমন পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে, মতুয়াদের যদি সমস্যা হয়, তার প্রতিকার রাষ্ট্রকেই করতে হবে।

কিন্তু বিজেপি নেতারা তো আরও বলছে যে হিন্দুদের এনারসি নিয়ে চিন্তা দূর করার জন্যই সিএএ প্রণয়ন? যারা এনারসি -তে বাদ গেল তাদের সবাইকে সিএএ দিয়ে এনারসি-তে ঢুকিয়ে নেবে? এটা যদি সম্ভব হয় তাহলে মতুয়ারা অবশ্যই উপকৃত হবে।

বাস্তবটা হল এটা এদের স্বভাব সিদ্ধ মিথ্যাচার। CAA-এর মাধ্যমে কাউকে NRC-তে ঢোকাতে গেলে প্রথম প্রমাণ করতে হবে যে তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান অথবা আফগানিস্তান থেকে এসেছিল। তারা হিন্দু, শিখ, খ্রিষ্টান, পারসি, বৌদ্ধ বা জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ। আরও প্রমাণ করতে হবে সে দেশগুলিতে তারা ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে বা অত্যাচারের ভয় ভীত হয়ে ভারতে এসেছিল। বিজেপি মিথ্যা প্রচার করছে যে ধর্মীয় অত্যাচার বা ধর্মীয় অত্যাচারের ভয়ের কোন প্রমাণ দাখিল করতে হবে না কারণ এর কোন উল্লেখ সিএএ-তে নেই। CAA-তে বলা হয়েছে যে “যারা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর মধ্যে ঐ তিনটি দেশ থেকে এসেছেন এবং ঐ ছ’টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত তারা যদি Passport (Entry into India) Act, 1920-তে ছার পেয়ে থাকে তা হলে তারা নাগরিকত্ব পাবে”।  এই পাসপোর্ট আইন ২০১৫-তে, বিজেপি সরকারের আমলে, সংশোধন করে বলা হয় যে ঐ তিনটি দেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচার বা অত্যাচারের ভয়ে যারা এসেছে তারাই শুধু ছাড় পাবে। সুতরাং CAA-তে বিষয়টা আলাদা করে উল্লেখ করার দরকার হয় নি।

এই আশ্বাস যে কত বড় একটা মিথ্যা তা আরও বোঝা যায় CAA-এর পূর্ব ইতিহাস খানিক জানা থাকলে। CAB, ২০১৯, সংসদে পাস হয়ে CAA-তে পরিণত হয়। ২০১৬ সালেও প্রায় একই বিল সংসদে পেশ করা হয়, কিন্তু বিজেপি আর তার সহযোগীদের রাজ্যসভায় সংখ্যা গরিষ্ঠতা না থাকায় তা আইনে পরিণত না হয়ে Joint Parliamentary Committee- তে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়।

এই কমিটির সভায় RAW এবং IB-এদের সঙ্গে শাওয়াল জবাবের নথি দেখলে জানা আয় যে সংস্থাগুলি শঙ্কিত যে এর ফলে ঐ তিনটি দেশে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী কোন সংস্থা তাদের লোক না ঢুকিয়ে দেয়। তাদের প্রস্তাব: যারা ইতিমধ্যেই শরণার্থি হিসাবে আবেদন করেছে এবং পরবর্তি কালে করবে তাদের সবার সম্বন্ধে নিকটবর্তী থানায় অনুসন্ধান করা হবে  তারা কোন আইন ভঙ্গ করেছে কি না। তাদের ওপর নজর রাখা হবে তারা কার সঙ্গে মেশে, তারা কোথায় যায়। যদি গোয়েন্দা সংস্থাগুলি নি:সন্দেহ হয় যে ঐ ব্যক্তি কোন ভাবেই দেশ বিরোধী কাজের সঙ্গে লিপ্ত নয়, তা হলেই তারা তাকে নাগরিকত্ব দেওয়ার অনুমতি দেবে। বর্তমান ভারতে দেশ বিরোধী কাজের যা নতুন সংজ্ঞা বিজেপি-আরএসএস চালু করেছে তাতে এই সরকারের বিরোধী কোন মত প্রকাশই দেশদ্রোহিতার সামিল। তাই বোঝা যাচ্ছে এই আইনের সুযোগ একমাত্র সঙ্ঘ পরিবারের ভক্তরাই নিতে পারবে।

বাস্তবে, বিজেপি যে ঠাকুরনগরে গিয়ে বার বার সিএএ নিয়ে নানা রকম টালবাহানা করছে তার কারণ তারা ভালো ভাবেই জানে যে এই আইনের মধ্যে দিয়ে তারা কোন সম্প্রদায়কেই, তা সে মতুয়া হোক বা অন্য কোন উদ্বাস্তু হিন্দু সম্প্রদায় হোক, এনারসি-এর অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে না।

তথ্য সূত্র:

  1. The Citizenship (Registration of Citizens and Issue of National Identity Cards) rules, 2003; https://ruralindiaonline.org/library/resource/the-citizenship-rules-2003/
  2. Passport (Entry into India) Act,1920
  3. Twin Gazette Notifications of 2015 and 2016 (dt. 07.09.2015 and 18.07.2016)
  4. What is the List of Admissible Documents? http://www.nrcassam.nic.in/admin-documents.html
  5. Report of the JPC on Citizenship Amendment Bill (2016), Pg. 34-40.
  6. Citizenship Amendment Act, 2019, Section2.
  7. প্রশ্ন-উত্তরে NRC-NPR-CAA, Students Against NRC.NPR.CAA, 2019
  8. Harichand Thakur (English) (Http://Dalitliteratures.Blogspot.Com/2017/03/H arichand-Thakur-English.Html)
  9. ‘মতুয়া’ না হিন্দু মতুয়া’, ‘নম:’ না ‘নম:শূদ্র’ – ধর্ম এবং জাতি চেতনার এক বিশ্লেষণাত্মক সমীক্ষা হরিগুরুচাঁদ আবমেদকার চেতনা মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটি। https://www.facebook.com/Sri-Sri-Harichand-Thakur-167347760330297/
  10. প্রণব কান্তি বসু, ‘নাগরিকত্ব ও হিন্দুত্ব’ অনীক, ডিসেম্বর, ২০২০

 

  • এই বিভাগে সমস্ত মতামত লেখকের নিজস্ব 
Please follow and like us:
error16
fb-share-icon0
Tweet 20
fb-share-icon20
Tagged
No Thoughts on বিজেপি মতুয়াদের মিথ্যা বোঝাচ্ছে

Leave A Comment