সংবাদমাধ্যমের উপর বিজেপি সরকারের আক্রমণ কিসের ইঙ্গিত?

বিশেষ খবর মতামত

Last Updated on 8 months by admin

মনদীপ পুনিয়া -> ক্যারাভান ম্যাগাজিন -> গ্রেফতার
সিদ্দিকি কাপলান -> হাথরাস কান্ডের রিপোর্টার -> নিরুদ্দেশ
রাজদীপ সারদেশাই, সিদ্ধার্থ বরদারাজন, মৃণাল পান্ডে -> স্বনামধন্যসাংবাদিক -> রাষ্ট্রদোহিতা সহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে
পরঞ্জয় গুহঠাকুরতা -> প্রাবন্ধিক -> আদানির দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখে মানহানির মামলায় অভিযুক্ত
গত কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন সাংবাদিকের উপরে বর্ণিত যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে তা আমাদের সামনে অশনি সংকেত নিয়ে এসেছে। সংবাদ মাধ্যমের উপর এহেন আক্রমণ আমাদের হিটলারের জার্মানির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। ওয়েইমার বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিতে ১৯১৯ সালে যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন হয় সেটা থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল। গণতন্ত্রের বিকাশের একটি সূচক গণমাধ্যমের বিকাশ ও তার স্বাতন্ত্র্য। ১৯৩২ সালে জারমানিতে ২৪৮৩ টি ছোট বড় দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হত এবং তাদের ওপর প্রায় কোন সরকারি বিধি নিষেধ ছিল না। ১৯৩৩ সালে সংখ্যাটা প্রায় ৪০০০ কাছে পৌঁছায়। কিন্তু হিটলারের উত্থানের পর ছবিটা দ্রুত বদলে যায়।
১৯৩৩ সালে হিটলার যখন ক্ষমতায় আসে তখন নাৎসিরা প্রকাশিত পত্রিকার মোটে ৩% এর মত নিয়ন্ত্রণ করত। বহুদলীয় গণতন্ত্রের অবসানের ফলে বহু সংবাদ পত্র, যে গুলি নাৎসি বাদে অন্যান্য পার্টিগুলি নিয়ন্ত্রণ করত, সরকার বন্ধ করে দেয়। আইন করে সরকার কমিউনিস্ট ও সোশালিস্ট পার্টিগুলির ছাপাখানা ও যন্ত্রপাতি দখল করে নাৎসি পার্টির কাজে লাগায়। ১৯৩৩ সালের প্রথম সপ্তাহগুলিতে নাৎসি সরকার রেডিও, পত্রিকা এবং ডকুমেন্টারির মাধ্যমে জনতার মনে কমিউনিস্ট অভ্যুত্থানের ভয় উৎপন্ন করে। নাৎসিদের প্রচারের ফলে সাধারণের মনে কমিউনিস্টদের ওপর যে আক্রোশ জন্মেছিল তার সুযোগ নিয়ে নাৎসিদের ‘গোলি মারো’ গুণ্ডা বাহিনী এবং তাদের সরকারের বিশেষ বাহিনী (এসএস) বিনা বাধায় সমাজবাদী ও সাম্যবাদী পার্টিগুলির সদস্যদের ওপর নারকীয় অত্যাচার চালায়, তাদের বন্দি শিবিরে চালান করে আর তাদের সমর্থনকারী সমস্ত ছাপাখানা ও সংবাদপত্রগুলি বন্ধ করে দেয়।
বৃহৎ পুঁজি গোড়া থেকেই নাৎসি পার্টির নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ। ছোট, স্বাধীন সংবাদপত্রগুলি এবং ইহুদিদের মালিকানাধীন সংবাদপত্রগুলি এরা গিলে ফেলে। কারাবাস এবং মৃত্যু ভয়তে অনেক প্রতিষ্ঠিত ও দক্ষ সাংবাদিক জার্মানি থেকে পালিয়ে যায়। এ ভাবে সংবাদ মাধ্যম সম্পূর্ণ ভাবে নাৎসি পার্টির প্রচার মাধ্যমে পর্যবসিত হয়। অক্টোবর ৪, ১৯৩৩ সালে ‘সম্পাদক আইন’ পাস করা হয়। এই আইনের একটি ধারায় সম্পাদকদের সরকার নির্দেশ দেয় ‘সরকারকে দেশে বা বিদেশে দুর্বল করতে পারে’ এমন কিছু ছাপা চলবে না।
মুসলিনি একই ভাবে ক্ষমতা দখল করার পর সংবাদ মাধ্যমকে তাদের ফ্যাসিবাদী পার্টির মুখপাত্রে পরিণত করে, যদিও সেখানে বলপ্রয়োগের থেকে বেশী পরোক্ষ চাপ, আইনি ব্যবস্থা, নানা রকম প্রলোভন বেশী ব্যবহার করা হয়।
আমাদের দেশের পরিস্থিতি নি:সন্দেহে অনেকটাই ভিন্ন। এখানে এখনও বহুদলীয় গণতন্ত্র বর্তমান; নির্বাচন হচ্ছে; পোশাকি অর্থে মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে; গণতন্ত্রের বিভিন্ন স্তম্ভগুলির – বিচার ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সামরিক সুরক্ষা – আপাত ভাবে স্বতন্ত্র। কিন্তু ক্রমশ গণতন্ত্রের এই সূচকগুলি এখানে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আমরা দেখছি সরকারের বিরুদ্ধে হাস্য কৌতুকের অভিযোগেও গ্রেফতার হচ্ছে। আদিবাসীদের হকের লড়াইয়ে পাসে দাঁড়ালে, অশীতিপর বৃদ্ধকে মাওবাদী তকমা লাগিয়ে অনির্দিষ্টকাল বন্দি রাখা হচ্ছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সরকারের ধামাধরা সাংবাদিক গর্হিত অপরাধে গ্রেফতার হলে অনায়াসে জামিন দিচ্ছে; অন্য সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে আবেদন শোনার তারিখ পাওয়া দুষ্কর হচ্ছে। সামরিক কর্তারা রাজনৈতিক বক্তব্য রাখছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলি বিরোধীদের হেনস্থা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে, ইত্যাদি। এ সব দুটি সূত্রে গাঁথা: বিজেপি বিরোধিতা মানেই দেশদ্রোহিতা; বিরোধিতা মানেই দেশকে ভাঙার চেষ্টা আর ‘মাওবাদীদের’ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাত।
ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলি যে ‘দেশপ্রেমের’ ধারক বাহক জনসাধারণের মনে এই বিশ্বাস গেঁথে দেওয়ার জন্য গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা অত্যন্ত জরুরী। দেশপ্রেমের ইন্দ্রজাল আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সরকারের বঞ্চনা ভুলিয়ে দেবে, ঠিক যেমন হিটলার মুসলিনী করতে সক্ষম হয়েছিল। তাই ভয় দেখিয়ে, গ্রেফতার করে, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ এনে স্বাধীন চেতা সমস্ত সাংবাদিকদের স্তব্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিজেপি সরকারগুলি।
ক্রমাগত সরকারী হুমকি ও অসহযোগিতার মুখেও এনডিটিভির মত দু-একটা জাতীয় বৈদ্যুতিন মাধ্যম স্বাধীন এবং নির্ভীক ভাবে সংবাদ পরিবেষণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ২০১৭ সালের মে মাসে, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা প্রণয় রায়ের বাড়িতে সিবিআই তল্লাসি চালায় এই ওজুহাতে যে উনি সেবীর থেকে লুকিয়ে কিছু শেয়ার কেনা-বেচা করেন যার ফলে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের ক্ষতি হয়। ঘটনা হল ঐ ব্যাঙ্ক থেকে ব্যবসায়িক কারণে রায় কিছু অর্থ ধার করেন এবং যথা সময়ে তা ফেরতও দিয়ে দেন। অন্যদিকে কত টাকা ব্যাঙ্ক থেকে লুঠ করে মালব্য মোদীরা বিদেশে ফেরার হওয়ার পর সরকারের টনক নড়ে!
২০২০, ১৫ মে প্রেস ইনস্টিটিউট একটি প্রতিবাদ পত্রে “গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে যে সাংবাদিকদের ভীতি প্রদর্শন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য কর্তৃপক্ষ আইনের অপপ্রয়োগ করছে”। তাদের এই বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিত ছিল ফেইস অব দি নেশন নামে একটি গুজরাটি বৈদ্যুতিন সংবাদ পোর্টাল-এর মালিক এবং সম্পাদক ধাভাল পাটেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ দায়ের করা হয় কারণ ঐ পোর্টালে রাজ্যে কোভিড রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের রদবদলের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর মাহেন্দর সিং মানরালকে পুলিস জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় কারণ তার প্রতিবেদনে বলা হয় যে তবলিগি জামাতের নেতা মৌলানা সাদ খান্ডালুই বিরুদ্ধে করোনা মোকাবিলায় শারীরিক দূরত্ব ও অন্যান্য বিধি না মানার জন্য জামাত সদস্যদের প্ররোচিত করার অভিযোগ প্রমাণে যে টেপ ব্যবহার করা হয়েছিল তাতে কারচুপি ছিল। প্রতিবাদ পত্রে আরও উল্লেখ করা হয় যে হিমাচলে ছ’ জন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দশটি মামলা রুজু করা হয় কারণ লকডাউনের ফলে মানুষের দুর্গতি নিয়ে তারা লেখেন।
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা খর্ব করার অপচেষ্টায় সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা করছে তার মিত্র পুঁজি, আদানিরা। ২০১৭ সালে আদানিরা দি ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিকাল উইকলি এর তৎকালীন সম্পাদক, পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা ও তার দুই সহকর্মীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা রুজু করে ঐ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন একাডেমিক জার্নালে গুহ ঠাকুরতার একটি গবেষণা পত্র প্রকাশের কারণে। ঐ লেখাটিতে দাবী করা হয় যে আদানি গোষ্ঠী তাদের রাজনৈতিক যোগাযোগ ব্যবহার করে সরকারকে প্রভাবিত করে তাদের স্বার্থে আর্থিক নীতির রদবদল করতে।এর ফলে আদানি গোষ্ঠী ৫০০ কোটি টাকা লাভ করে। এ বছর জানুয়ারিতে, যখন আদালতে আবার দু পক্ষের শারীরিক উপস্থিতিতে মামলা চালু হয়, তখন পরঞ্জয় আবেদন করেন যে যেহেতু তিনি বরিষ্ঠ নাগরিক এবং দিল্লিতে থাকেন সেহেতু তাকে বার বার গুজারাতে হাজিরা দেওয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। তার যায়গায় তার আইনজীবী উপস্থিত থাকবে। আদালত তার আবেদন শুধু না মঞ্জুর করে না, উপরন্তু তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করে।
সংবাদ মাধ্যমকে সরকারের প্রচার মাধ্যমে পরিণত করার চেষ্টার অসংখ্য উদাহরণ আছে। গত মাসের আউটলুক পত্রিকার ২৭ তারিখের সংখ্যায় একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে উত্তর প্রদেশ প্রশাসন তিন জন স্থানীয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্যে অপকর্ম’ ও ‘ফৌজদারি ভীতি প্রদর্শন’-এর অভিযোগ এনে এফ আই আর করে। কারণ তারা যোগী রাজ্যে তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যে শীত বস্ত্র ছাড়া বাচ্চারা মাঠে যোগ ব্যায়াম করতে গিয়ে কি ভাবে কাঁপছে তার ভিডিও প্রকাশ করে।
স্বাধীন সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে যেমন সরকার এবং তার দোসর বা মিত্র পুঁজি তৎপর তেমনই তৎপর সঙ্ঘ পরিবারের অনুগত গুণ্ডা বাহিনী। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি পানসারে আর ধাবোলেকরের হত্যায় সনাতন সংস্থার যোগ। রিপোটার্স উইদাউট বর্ডারস্, প্যারিসে অবস্থিত সাংবাদিকদের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। গত মাসে তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে “হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা দেশে প্রকাশ্য আলোচনার ক্ষেত্র থেকে তথাকথিত জাতীয়তাবাদ বিরোধিতার সমস্ত প্রকাশ নির্মূল করার চেষ্টা করছে…এবং সাংবাদিকরা ক্রমশ আরও বেশি মাত্রায় উগ্র জাতীয়তাবাদীদের অনলাইন কুৎসা রটনার শিকার হচ্ছে। এমন কি তাদের শারীরিক নিগ্রহের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে”।
ঐ একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রীডম সূচক অনুসারে ১৮০ টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ১৩৮, জিম্বাবোয়ে, মায়ানমার, আফগানিস্থানের তলায় এবং ২০১৭-র তুলনায় দু ধাপ নিচে। সূচকটি যখন প্রথম চালু করা হয়, ২০০২ সালে, তখন ১৩৯ দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ছিল ৮০।
৩০ জানুয়ারি সিংঘুতে চলমান কৃষক আন্দোলনের ওপর তথাকথিত স্থানীয় বাসিন্দারা চড়াও হয়ে পাথর ছোড়ে এবং তাদের তাঁবুতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। বিভিন্ন মাধ্যমে স্পষ্ট দেখা গেছে পুলিসকে নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকায়। মনদীপ পুনিয়া নামে এক সাংবাদিক, যিনি মূলত কারাভান পত্রিকার জন্য লেখেন, ইউটিউব লাইভ-এ ঘটনাটি প্রচার করে এবং মন্তব্য করেন যে আক্রমণকারীরা মোটেই স্থানীয় বাসিন্দা নয়; তারা বিজেপির সমর্থক এবং গোটা ঘটনার পেছনে পুলিস প্রশাসনের মদত আছে। এরকম একজন সাংবাদিককে পুলিস বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে গ্রেফতার করবে এটা অস্বাভাবিক কিছু না। তাজ্জব করার মত হল পুলিশের অভিযোগ: পুনিয়া নাকি গুণ্ডাদের মধ্যে ছিল এবং সে নাকি পুলিসকে মারধোর করেছে! আরও অবাক করার মত বিষয় হল একজন সাংবাদিককে স্রেফ একটা পুলিসি অভিযোগের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতে ১৪ দিন জেল হাজতের নির্দেশ দেওয়া হল।
এই আন্দোলন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখে আরও সাংবাদিক পুলিস ও বিজেপি কর্মীদের কোপে পড়েছে। রাজদীপ সারদেশাই, মৃণাল পাণ্ডে, পরেশ নাথ, অনন্ত নাথ, বিনোদ যোশ এবং শশী থরুরের বিরুদ্ধে উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, গুরুগ্রাম পুলিস এবং দিল্লি পুলিস এফ আই আর নথিভুক্ত করেছে এই বয়ানে যে তারা ২৬ জানুয়ারী ট্রাক্টর চালক এক কৃষকের মৃত্যু সম্বন্ধে পুলিসের ওপর মিথ্যা দোষ আরোপ করে যার ফলে ‘জাতীয় ঐক্য বিঘ্নিত হতে পারে’। দি এডিটর্স গিল্ড অব ইন্ডিয়া এদের ওপর হেনস্থার কড়া প্রতিবাদ করে বলে: “সাধারণ ভাবে একটা চলমান আন্দোলনের সময় একটা ঘটনার প্রত্যক্ষ দর্শীদের থেকে নানা বয়ান আসতে থাকে। তাৎক্ষনিক, সত্যাসত্য যাচাই করা সম্ভব নয়। তারা সাংবাদিকতার প্রতিষ্ঠিত রীতি মেনেই খবর পরিবেশন করেছিলেন”।
দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে বিজেপি সরকার আর এস এস এর ফ্যাসিবাদী আজেন্ডাকে একের পর এক লাগু করতে শুরু করেছে। সংবাদ মাধ্যম এবং সাংবাদিকদের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ লাগু করার চেষ্টা সেই যাত্রাপথেরই অংশ। নির্ভীক তথা স্বাধীন সাংবাদিকতার উপর এই আক্রমণ সম্ভবত আগামী দিনগুলোতে আরোও তীব্র হবে।

লেখক

প্রণব কান্তি বসু ,  বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক

মতামত নিজস্ব

Please follow and like us:
error16
fb-share-icon0
Tweet 20
fb-share-icon20
No Thoughts on সংবাদমাধ্যমের উপর বিজেপি সরকারের আক্রমণ কিসের ইঙ্গিত?

Leave A Comment