চলমান কৃষক আন্দোলনের হাল হকিকত : পর্ব – ৫

আজকের খবর কৃষক আন্দোলন বিশেষ খবর

Last Updated on 3 weeks by admin

 

বিশেষ প্রতিবেদন, ৮ নভেম্বর, ২০২১ :

(দেশজুড়ে চলমান কৃষক আন্দোলনের প্রতি সপ্তাহের আপডেট দেওয়া হবে এই বিশেষ সিরিজের প্রতিবেদনে। এই আন্দোলনের ব্যাপ্তির নিরিখে এরকম যেকোনও প্রতিবেদন অসম্পূর্ণ হতে বাধ্য। কিন্তু চেষ্টা করা হবে বিগত সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে যথাসম্ভব তুলে ধরার। প্রতি সোমবার আমরা তুলে ধরবো আগের সপ্তাহের খবরাখবর। এ সপ্তাহে আগের  সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ কিছু খবর দেওয়া হল।)

পর্ব – ৫

৩ নভেম্বর : সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন জায়গায় উপনির্বাচনে  কৃষক আন্দোলনের প্রত্যক্ষ প্রভাব দেখা গেছে,  ৩টি লোকসভা আসনের মধ্যে ২টিতে বিজেপি হেরে গেছে।  বিধানসভা উপ-নির্বাচনে,  হরিয়ানার এলেনাবাদে, অভয় চৌতালা (ভারতীয় জাতীয় লোক দল), যিনি এর আগে কৃষকদের বিক্ষোভের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে শাসক দল ত্যাগ করেছিলেন, তিনি উপনির্বাচন জিতে গেছেন।  পশ্চিমবঙ্গের সবকটি আসনেই জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশের সবকটি বিধানসভা আসন, রাজস্থানের একটি, কর্ণাটকের একটি, মধ্যপ্রদেশের একটি আসনে কংগ্রেস জিতেছে।

জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (COP26), জলবায়ু পরিবর্তন দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন কৃষকদের সার্বজনীন ভাবে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন বিল গেটস। এর সঙ্গে তিনি একটি দূরদর্শী  সবুজ বিপ্লবের কথাও বলেছেন।  বিল গেটস হলেন সেই বেক্তি যিনি মনসান্টোর সঙ্গে যুক্ত এবং যিনি বিশ্বজুড়ে খাদ্য ব্যবস্থার বেসরকারিকরণের প্রবক্তা। এই গেটসের সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  COP26-এ ঘোষিত হল “জলবায়ু অনুকূল কৃষি উদ্ভাবন মিশন”, মূলত এটি হল বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের  সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে খাদ্য ব্যবস্থাকে দ্রুত কর্পোরেটাইজ করার আরেকটি প্রস্তাব।  ভারতের সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (এস.কে.এম) এই সম্মেলনকে একটি কর্পোরেট হাতিয়ার হিসেবে দেখে বলে জানিয়েছে। তাঁরা ন্যায়সঙ্গত কৃষি জীবিকা ধরে রাখার জন্য জলবায়ু অনুকূল ও টেকসই সমাধান দাবি করছেন।

লখিমপুর খেরিতে, মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি ‘নির্লজ্জভাবে’ বিজেপি কর্মীদের জন্য ন্যায়বিচারের কথা বলেছেন বলে অনুমান করেছেন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। এদিন স্থানীয় কৃষকদের সাথে কেন্দ্রীয় সরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির  ডাকা বৈঠক কৃষকরা প্রত্যাখ্যান করেছেন। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এজন্য স্থানীয় কৃষকের কাজকে সঠিক বলে মনে করে তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে।

৪ নভেম্বর : রবি ফসল উৎপাদনের প্রায় সময় হয়ে এলো, কিন্তু তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সারের তীব্র সংকট দেখা গেছে।  সার অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে যে এ বছর ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মজুত ডিঅ্যামোনিয়াম ফসফেটের পরিমাণ মাত্র ২১.৫৯ লক্ষ টন, যেখানে ২০২০, ২০১৯ এবং ২০১৮ সালের একই দিনে যথাক্রমে ৪৬.৮৫, ৬২.৪৮  এবং ৪৫.০৫ লক্ষ টন ছিল. পটাসিয়াম মুরেট সারেরও কমতি দেখা গেছে, এ  বছর মজুত মাত্র ১০.১২ লক্ষ টন, যেখানে গত তিন বছর অগস্ট মাসের শেষে যথাক্রমে ২০,২৪.৭৬এবং ১৮.২০ লক্ষ টন সার মজুত ছিল।  একইভাবে, নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি মৌলিক উপাদান মিলিয়ে জটিল সারের মজুতে এ বছর ৩১ আগস্টের হিসাবে গত তিন বছরের গড়ের তুলনায় ১০.৯৯ লক্ষ টন ঘাটতি দেখা গেছে। এই সবের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক মূল্য বৃদ্ধি এবং ফলত সার আমদানির ঘাটতি।  রবি চাষীদের আসন্ন বিপর্যয় এড়াতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

দীপাবলিতে কৃষক আন্দোলনের শহীদদের নামে সমস্ত প্রতিবাদস্থলে প্রদীপ জ্বালিয়ে কৃষক-শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (এস.কে.এম)। শুধুমাত্র পাঞ্জাবেই ১00 টিরও বেশি স্থানে এবং অন্যান্য রাজ্যের অনেক টোল প্লাজা এবং অন্যান্য স্থান সহ সারা দেশে এদিন শহীদদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে এস.কে.এম। ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত ৬৫০ জনেরও বেশি কৃষক শহীদ হয়েছেন। এই কৃষক আন্দোলন ও শহীদদের উপেক্ষা করে মোদী সরকার নিজের বিপদ ডেকে আনছে বলে মনে করে মোর্চা। এদিন কৃষকরা তাদের দীপাবলি এবং ‘বন্দি ছোড় দিবস’ পালন করার সময় দিল্লি সীমান্তের সমস্ত অবস্থানস্থলে বহুল জনসমাগম হয়েছিল।

৫ নভেম্বর : পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার কয়েকটি জেলায় গোলাপী পোকার উৎপাতে তুলো চাষের  ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  পাঞ্জাবের কৃষক সংগঠনগুলি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের জন্য আরও ক্ষতিপূরণ প্যাকেজের জন্য লড়াই করছে।  ইতিমধ্যে পাঞ্জাব সরকারের প্যাকেজগুলি হল একর  প্রতি ২০০০-১২০০০ টাকার মধ্যে। অথচ, কিছু কিছু জমিতে কৃষকদের খরচ হয়েছে একর প্রতি ৬০০০০ টাকা পর্যন্ত। তাই পাঞ্জাব সরকারের দেওয়া প্যাকেজের বিরোধীতায় রাস্তায় নেমেছে কৃষক সংগঠনগুলি।

১৯৮০ সালের বন সংরক্ষণ আইন -এ প্রস্তাবিত সংশোধনীর বিষয়ে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা ইতিমধ্যেই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা বন অধিকার আইন ২০০৬ এবং স্থানীয় সংস্থাগুলির সাংবিধানিক কর্তৃত্বকে ক্ষুন্ন করবে৷ এই প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলির মাধ্যমে কেন্দ্রের সরকার বন ও বনজ সম্পদকে বৃহত্তর কর্পোরেটগুলির নিয়ন্ত্রণে দিতে চাইছে এবং এই সংশোধন বনবাসী ও জঙ্গল-নির্ভর কৃষকদের অধিকারগুলি হরণ করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে বলে মনে করে এসকেএম। এর ফলে বনবাসী ও কৃষকদের জীবন ও জীবিকার ওপর বিরুপ প্রভাব পড়বে। প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলি লাগু না করা ও প্রত্যাহার করার জন্য ভারত সরকাররের কাছে দাবি জানিয়েছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (এসকেএম)। এই আইন লাগু হলে, ১৯৮০ সালের আগে যে বনাঞ্চলগুলি রেল ও সড়ক মন্ত্রণালয় কিনেছিল, সেগুলিতে বনাঞ্চল পরিপন্থী  উন্নয়ন প্রকল্প শুরু করার জন্যে আর বিশেষ  ছাড়পত্রের দরকার হবে না।  এর সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলিও পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই শুরু হতে পারবে। বেসরকারি সংস্থাগুলির মুনাফার জন্যে আবাসন প্রকল্প শুরু করাও সহজ হয়ে যাবে। অর্থাৎ এই আইনের সংশোধনী লাগু হলে ভারতীয় বনভূমির একটি বড় অংশে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু অনুকূল আইন কানুন ব্যাপকভাবে কমে যাবে।  উপরন্তু, বনভূমির গভীরে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, যা জলবায়ুর জন্যে বিধ্বংসী, তা সহজতর হয়ে যাবে।

৬ নভেম্বর : রাজস্থানের কৃষকরা জয়পুরে ক্রমাগত প্রতিবাদ করছে কারণ তাদের কুইন্টাল প্রতি ৮০০ টাকা লোকসানে বাজরা বিক্রি করতে হচ্ছে।  রাজ্য সরকার বাজরার ন্যূনতম মূল্য দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অশোক গেহলট সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে কৃষক সংগঠনগুলি।

হরিয়ানার নারনাউন্দ থানা ঘেরাও কর্মসূচি এদিনও চলেছে। এক বিশাল সংখ্যক কৃষক প্রতিবাদকারী অবস্থানে সামিল হয়েছেন। এই প্রতিবাদকারীদের মধ্যে এক বড় অংশ মহিলা। কৃষকরা দাবি জানিয়েছে যে অবিলম্বে বিজেপি সাংসদ রাম চান্দের জ্যাংরা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে কারণ তাঁদের প্রত্যক্ষ মদতে আগের দিন অন্দোলনে থাকা কুলদীপ সিং রানাকে গুরুতর আঘাত করা হয়েছে। বিজেপি সাংসদ রাম চান্দের জ্যাংরাকে স্থানীয় কৃষকরা কালো পতাকা দেখানোয় তিন জন কৃষকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। হর্ষ দীপ গিল, কৈলাশ ও সুধীর, এই তিন জনের নামে ভারতীয় পেনাল কোডের ১২০বি, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩৫৩ এবং ৪২৭ ধারায় এফ আই আর (ষড়যন্ত্র, দাঙ্গা, সরকারী অফিসারের উপর আক্রমণ ইত্যাদি ) দায়ের করা হয়েছে। এই মামলা দিয়ে তাঁদের আটক করেছিল হরিয়ানা পুলিশ। বিশাল জমায়েত ও সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতৃত্বের উপস্থিতির চাপে পুলিশ তাঁদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

৭ নভেম্বর : পাঞ্জাবের মানসা জেলার খিভা দয়ালপুরায় তিন শহীদ মহিলা কৃষকের অন্তিম আর্দা অনুষ্ঠিত হয়৷ উল্লেখ্য, ২৮ অক্টোবর টিকরিতে সমাবেশে আসা তিনজন মহিলা  কৃষককে (অমরজিৎ কৌর, গুরমাইল কৌর এবং সুখবিন্দর কৌর) লরি চাপা দিয়ে মেরে ফেলা হয়। শহীদ হওয়া তিন মহিলা কৃষকের হত্যাকারীদের শাস্তি দাবি করে এসকেএম। এদিন হাজারেরো বেশি কৃষক ও নাগরিক শহীদ নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হন। উপস্থিত ছিলেন এসকেএমের একাধিক নেতা। কৃষক বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই নারীদের বিপ্লবী চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন কৃষকরা।

হরিয়ানার নারনাউন্দের কৃষকদের বিক্ষোভে জমায়েত আরো বেড়ে যায়। কৃষকদের ধর্না এদিন দ্বিতীয় দিনে পড়লো। কৃষকদের দাবি না মিটলে পরের দিন থেকে এসপি অফিস ঘেরাও করা হবে বলে ঘোষণা করেন কৃষক নেতৃত্ব। এসকেএম হরিয়ানার আরেক বিজেপি নেতা অরবিন্দ শর্মার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে। আগের দিন শ্রী শর্মা কৃষকদের হুমকি দেন। তিনি বলেছিলেন – যে কৃষকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভে লিপ্ত হবে তাদের চোখ উপড়ে নেওয়া হবে এবং হাত কেটে ফেলা হবে। এসকেএম হরিয়ানার একটি সভায়, শর্মার হিংসাত্মক বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি জারি করে এবং তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করার দাবি জানায়।

ভিওয়ানিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা বিজেপি সাংসদ সুনিতা দুগ্গালকে  কৃষকরা কালো পতাকা দেখান। সেই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

কর্ণাটকের কৃষক আন্দোলনের একজন তরুণ সমর্থক, নাগরাজ ১১ ফেব্রুয়ারি বাদলপুর (কর্নাটক) থেকে দিল্লির দিকে পদযাত্রা শুরু করেছিলেন। সমস্ত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে এদিন গুনায় পৌঁছেছেন। নাগরাজ সম্প্রতি তাঁর মাকে হারিয়েছেন। মায়ের শেষকৃত্যে যোগদানের জন্য মাত্র কয়েক দিনের জন্য বাড়ি ফিরে যাওয়ার পরে তিনি পদযাত্রা চালিয়ে গেছেন। এসকেএম এই বীরেকে অভিবাদন জানিয়েছে।

৮ নভেম্বর : ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে লখিমপুর খেরি কৃষক গণহত্যার তদন্তের ব্যাপারে আবারও ধাক্কা খেল উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার। সুপ্রিম কোর্ট এদিন লখিমপুর খেরি গণহত্যার বিষয়ে শুনানিতে উত্তরপ্রদেশ সরকারকে এখনও পর্যন্ত স্পষ্টত পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিহিত করেছে এবং তদন্তে গাফিলতির জন্য কঠোরভাবে তিরস্কার করেছে। “১ জন অভিযুক্তকে রক্ষা করার জন্য” কীভাবে মামলা পরিচালিত হচ্ছে তা নির্দেশ করেন সুপ্রিম কর্টের বিচারক। সুপ্রিম কোর্ট উত্তরপ্রদেশের বাইরে থেকে হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারককে তদন্তের জন্য নিয়োগ করতে চায়। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত হয়েছে ১২ নভেম্বর।

হাজার হাজার কৃষক এদিন সকালে হরিয়ানার হানসির এসপি অফিস ঘেরাও শুরু করেন। ৩ জন কৃষকের বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহারের দাবিতে নারনাউন্ড থানায় দু’দিনের বিক্ষোভের পরে কৃষকরা এখানে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিজেপি নেতা রাম চন্দ্র জাংরা প্রতিবাদী কৃষকদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত আপত্তিকর এবং অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন এবং কৃষকরা তাঁর এই ধরণের বিবৃতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।

জানা গেছে যে উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার বিক্ষোভরত কৃষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করছে। এসকেএম এর নিন্দা করে এবং উত্তরাখণ্ড সরকারকে নাগরিক বিরোধী আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলে। এদিন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা বলে যে কৃষকদের বিরুদ্ধে নথিভুক্ত সমস্ত জাল মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

আগামী কর্মসুচি নির্ধারণের জন্য এদিন দিল্লির সিংঘু সীমান্তে ৩২টি কৃষক সংগঠন সভা করে।

Please follow and like us:
error17
fb-share-icon0
Tweet 20
fb-share-icon20
Tagged
No Thoughts on চলমান কৃষক আন্দোলনের হাল হকিকত : পর্ব – ৫

Leave A Comment