চলমান কৃষক আন্দোলনের হাল হকিকত : পর্ব – ১

আজকের খবর কৃষক আন্দোলন বিশেষ খবর

Last Updated on 1 week by admin

বিশেষ প্রতিবেদন, ১১ অক্টোবর, ২০২১ :

(দেশজুড়ে যে কৃষক আন্দোলন চলছে তা ইতিহাসের বিচারে এক অনন্য স্থান দখল করে নিয়েছে। এই চলমান কৃষক আন্দোলনের প্রতি সপ্তাহের আপডেট দেওয়া হবে এই বিশেষ সিরিজের প্রতিবেদনে। এই আন্দোলনের ব্যাপ্তির নিরিখে এরকম যেকোনও প্রতিবেদন অসম্পূর্ণ হতে বাধ্য। কিন্তু চেষ্টা করা হবে বিগত সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে যথাসম্ভব তুলে ধরার। প্রতি সোমবার আমরা তুলে ধরবো আগের সপ্তাহের খবরাখবর। এ সপ্তাহে আগের দু’ সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ কিছু খবর দেওয়া হল। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ডাকা বন্‌ধ থেকে পরবর্তী খবরাখবর থাকছে।)

পর্ব – ১

গত ২৭ সেপ্টেম্বর কৃষকদের ডাকা ভারত বন্ধ সারা ভারতের জনজীবনকে থমকে দিয়েছিল ।  পাঞ্জাব, হরিয়ানা, কেরালা, ত্রিপুরা, তামিলনাড়ু, বিহার, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে বন্ধের আহ্বানে ব্যাপক সাড়া পড়েছে ।  মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, আসাম, কর্ণাটক, হিমাচল প্রদেশ, মণিপুর এবং গুজরাটে গ্রামীণ অঞ্চলে সমর্থন বেশি ছিল।  সংসদীয় ধারার দলগুলোর মধ্যে কেরলের এলডিএফের দলগুলি এবং মহাজোটের  অনেক দল এই বন্‌ধকে সমর্থন করেছিল।  ব্যাংক কর্মচারী সংগঠন এবং বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনও বন্‌ধ সমর্থন করে। রাজ্যভিত্তিক ও স্থানীয় স্তরের বিভিন্ন সংগ্রামী ট্রেড ইউনিয়নও সক্রিয়ভাবে বন্ধের সমর্থনে রাস্তায় নামে।

২৮ সেপ্টেম্বর স্বাধীনতা সংগ্রামী – শহীদ ভগত সিং-এর জন্মদিন পালন করলো সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। এটিকে তাঁরা সাম্রাজ্যবাদ্দ বিরোধী দিবস হিসাবে পালন করেছেন। বারনালা দানা মন্ডিতে সমস্ত পেশার মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, যুবক, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব বয়সের মানুষের বিপুল জমায়েত হয়। এদিনই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেদ্র তোমর বলেন যে কৃষকদের শুধুমাত্র ফসল ভিত্তিক পদ্ধতি নির্ভরতা থেকে বের করে নিয়ে মূল্য সংযোজন এবং অন্যান্য কৃষিকাজের জন্য অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে এবং এটা ক্ষুদ্র কৃষকদের খুব প্রয়োজন, তাই আমাদের ক্ষুদ্র কৃষকদের দিকে আমাদের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে হবে। এটাই কেন্দ্রের আত্মনির্ভর ভারতের অঙ্গ। কৃষকদের দাবি – এর মাধ্যমে কৃষককে কেন্দ্র সরকার তার দোসর কর্পোরেটদের জন্য সস্তা শ্রমিকে পরিণত করতে চাইছে। তাই কৃষকরা মনে করেন এই সরকার ভগত সিং-এর স্বপ্নকে পদদলিত করেই চলেছে; তাই ভগত সিং-এর আদর্শে আজও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াই গড়ে তুলতে হবে। কিষাণ মহাপঞ্চায়েত সংগঠিত হয় ছত্তিশগড়ের রাজিমে।

২৯ সেপ্টেম্বর কৃষক মোর্চা জানিয়ে দেয় যে তাঁরা তাঁদের দাবী থেকে এক চুলও সরবে না – সরকারের কৃষক বিরোধী আইন প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।  ৩০ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন এলাকায় কৃষক বিক্ষোভ হয়।

৩০ সেপ্টেম্বর কৃষক আন্দোলনের চাপে পাঞ্জাবের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী চরণ সিং চান্নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে অনুরোধ করেন সারা দেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার সময় সীমা এগিয়ে আনার জন্য। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রি তাঁর রাজ্যে ধান কেনার কথা ঘোষণা করেন।

১ অক্টোবর কৃষকরা কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে হরিয়ানার ঝাজ্জারে। অনেক নারী কৃষকও প্রতিবাদ করছেন। পুলিশ কৃষকদের উপর জলকামান ব্যবহার করেছে। বিজেপি হরিয়ানার বিভিন্ন জায়গায় সভা করেছে, কৃষকদের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতাদের উসকানি ও ভয় দেখানোর প্রতিবাদে। কিষাণ মোর্চা মনে করে – এই কৃষি আইন শুধু সম্মতি ও মতবিরোধের বিষয় নয়। এটি কৃষকদের জন্য একটি “মৃত্যু পরোয়ানা”। কৃষকরা এটা খুব ভালোভাবে বুঝতে পেরেছে। এজন্য কৃষকরা তখনই আন্দোলন প্রত্যাহার করবে যখন আইনগুলি সম্পূর্ণ বাতিল করা হবে।

২ অক্টোবর কিষাণ মোর্চা দেশজুড়ে গান্ধী জয়ন্তী উদযাপন করলো।  পাশাপাশি লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকীও পালন করেছে। প্রবল বর্ষণের মধ্যেই হাজার হাজার কৃষক নরসিংহ বাবা স্টেডিয়ামের একটি সমাবেশে জড়ো হয়ে বিহারের চম্পারন থেকে ১৮ দিনের পদযাত্রা শুরু করেছেন। শেষ হবে ২০ অক্টোবর বারানসীতে। উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগরের রুদ্রপুর থেকে প্রতিবাদী কৃষকদের একটি বড় কাফেলা হয়েছে। লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত এই কিষাণ যাত্রাটি গাজীপুর সীমান্তে পৌঁচেছে।

কৃষক আন্দোলনের অংশ হিসাবে ন্যায্যমূল্যে ধান কেনার দাবিতে হরিয়ানায় গত কয়েকদিন ধরে এমএলএ-এমপি দের বাড়ি ঘেরাও করেন কৃষকরা। সেই চাপে  ২ অক্টোবর মান্ডিতে ধান কেনার কথা ঘোষণা করে হরিয়ানা সরকার এবং ৩ অক্টোবর থেকে ধান কেনা শুরু করে। এটাকে আন্দোলনের অংশত জয় বলে মনে করেন কৃষক নেতারা।

গত ৩রা অক্টোবর, প্রায় ৩০০ কৃষক লখিমপুর খেরিতে বিক্ষোভে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁরা যখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী  অজয় মিশ্রের ছেলে বিজেপি নেতা আশিস মিশ্রের গাড়ি ভিড়ের মধ্যে দিয়ে চালিয়ে ৪ জন কৃষককে হত্যা করে।  ঘটনায় আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।  এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হিংসাত্মক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে কনভয়ের দুটি গাড়ি পুড়ে যায় এবং আরও ৪ জন মারা যান. অভিযোগ করা হয় যে এই ৪ জন বিজেপি কর্মী।  এই ঘটনার পর কৃষকদের বিক্ষোভ তীব্রতর হয়েছে।  এতটাই তীব্রতর যে, উত্তরপ্রদেশ সরকার এই বিষয়ে কৃষকদের দাবি শোনার জন্য কৃষকদের সাথে বসতে সম্মত হয়।  আলোচনার পর, আশীষ মিশ্রের বিরুদ্ধে একটি এফ.আই.আর. দায়ের করা হয়, মৃত কৃষকদের পরিবারকে পরিবারপিছু ৪৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও একটি সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করা  হয়।  যদিও এখনও পর্যন্ত মামলার জন্য মাত্র ১ সদস্যের একটি বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করা হয়েছে এবং অজয় মিশ্রকে তার পদ থেকে এখনও পর্যন্ত সরানো হয়নি। এতে করে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ও জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে ।

৪ অক্টোবর সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার আহ্বানে, সারা দেশে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত চারটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে, ডিসি/ডিএম কার্যালয় এবং অন্যান্য অনেক জায়গায় বিক্ষোভ হয়। উত্তরপ্রদেশে কৃষক হত্যার প্রতিবাদে দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচী নেওয়া হয়। সিংঘু বর্ডারে একটি মৌন  প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল।

৫ অক্টোবর গত রবিবার লখিমপুর খেরিতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদী কৃষকদের ওপর নৃশংস ঘটনার নতুন ভয়ঙ্কর ভিডিও প্রমাণ সামনে আসে – প্রতিবাদকারীদের বর্ণনাতে সেদিনকার জঘন্য ঘটনার বিবরণ ভিডিওতে ফুটে উঠেছে – সংযুক্ত কিষান মোর্চা জানিয়েছে একজন প্রতিবাদী শ্রী গুরবিন্দর সিং-এর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে – অবিলম্বে মন্ত্রী, তার পুত্র এবং সহযোগীদের আটক করার দাবী জানিয়েছে সংযুক্ত কিষান মোর্চা সেইসঙ্গে তারা আরো দাবি করেছে যে অবিলম্বে মন্ত্রী অজয় মিশ্র এবং হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী খট্টারকে বরখাস্ত করতে হবে – যতক্ষণ না এই দাবি পূরণ হচ্ছে ততক্ষণ প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে এবং আরো নতুন কর্মসূচি শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।

আশীষ মিশ্রের কনভয়ের দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত সাংবাদিক রমন কাশ্যপক বাঁচাতে ইউ পি পুলিশ অবহেলা করেছিল, এই অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তেরও দাবি করেছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। চিকিৎসার পরিবর্তে তাকে সরাসরি একটি মর্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য চিকিৎসার সুযোগের অভাবে রমন কশ্যপের জীবন বাঁচানো যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। রমন কাশ্যপের অন্ত্যেষ্টি হয় ৬ অক্টোবর। মৃত সাংবাদিকের বাবার দায়ের করা অভিযোগ উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এফআইআর হিসাবে নথিভুক্ত করেনি এবং এসকেএম এটিকে এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করার দাবি করছে।

৬ অক্টোবর হরিয়ানার ভিওয়ানিতে কয়েক হাজার কৃষক একটি কলেজের বাইরে জড়ো হয়েছিল যেখানে হরিয়ানার কৃষিমন্ত্রী জেপি দালাল একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসেছিলেন। বিজেপি এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করতে  কালো পতাকা দেখান। এদিনই রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর ও হনুমানগড়ের কৃষকরা ধান সংগ্রহ এবং সেচের জলের জন্য বিক্ষোভ করেন। তাঁদের দাবি সমস্যা  সমাধানে গেহলট সরকারের উদাসীনতা রয়েছে।

গত ৭ই অক্টোবর, বিজেপি নেতা নয়াব সায়ানীর একটি কনভয় আম্বালার নারায়ণগড়ে একটি বিক্ষোভের মধ্যে দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। শোনা গেছে এতে একজন কৃষকের চিকিৎসার প্রয়োজন হয়েছিল।

গত ৯ অক্টোবর সংযুক্ত কিষান মোর্চার তাদের প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জানায় তাদের দাবিগুলি ১১ অক্টোবরের মধ্যে সরকার না মেনে নিলে মোর্চা সারা দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করবে। (১) অন্তিম আর্দাস অনুষ্ঠান সুসম্পন্ন হওয়ার পর শহীদ কৃষকদের অস্থি নিয়ে লখিমপুর খেরি থেকে শহীদ কিষান যাত্রা শুরু হবে। উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি জেলার জন্য এবং দেশের প্রতিটি রাজ্যের জন্য আলাদা অস্থি কলস নিয়ে যাত্রা শুরু হবে। প্রতিটি জেলা বা রাজ্যের পবিত্র বা ঐতিহাসিক স্থানে যাত্রা সমাপ্ত হবে। (২) ১৫ ই অক্টোবর দশেরা উপলক্ষে কৃষক বিরোধী বিজেপি সরকারের প্রতীক হিসেবে নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ এবং স্থানীয় নেতাদের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হবে। (৩) ১৮ ই অক্টোবর দেশব্যাপী রেল রোকো কার্যক্রম আয়োজিত হবে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত। (৪) ২৬ শে অক্টোবর লখনৌ তে সংযুক্ত কিষান মোর্চা লখিমপুর ঘটনার প্রতিবাদে এক মহাপঞ্চায়েত আয়োজিত করবে।

১০ অক্টোবর পাঞ্জাবের বারনালায় বি কে ইউ একতা সিদ্ধুপুরের আয়োজনে একটি “চেতাবনি র‍্যালী” বের হয় যেখানে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অনেক নেতা অংশগ্রহণ করেন, এবং তাতে সাধারণ কৃষকদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। সমাবেশের দাবী ছিল – কৃষক বিরোধী ৩টি নয়া কৃষি আইন বাতিল করতে হবে, সকল কৃষি উৎপাদন ও সকল কৃষকদের জন্য লাভজনক এমএসপি নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন করতে হবে।

সঙ্ঘবদ্ধ আন্দোলন সচেতন নাগরিকত্বের জন্ম দেয়। এর উদাহরণ সম্প্রতি দেখা গেছে বৃহত্তর মোহালী এলাকায়। সেখানে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ  (জিএমএডিএ) এরোট্রোপলিস প্রকল্পের জন্য কৃষকদের কাছ থেকে প্রায় ১৭০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে, কিন্তু ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কৃষকদের কেনার শর্ত লেখা চিঠি বা লেটার অফ ইনটেন্ট দেয়নি। আইনানুযায়ী এই চিঠি জমি অধিগ্রহণ সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অপরিহার্য। এমনকি যেসব কৃষকের জমি ১১ বছর আগে অ্যারোসিটি প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছিল তারাও তাঁদের চিঠি পাননি। এই ধরণের অসদাচরণ কর্তৃপক্ষ বারংবার বছরের পর বছর করে আসছে। সঙ্ঘবদ্ধ কৃষকরা এখন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে চিঠি না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা তাঁদের জমির দখলদারি ছাড়বেনা এবং দরকার হলে আন্দোলনের পথে নামবেন।

Please follow and like us:
error16
fb-share-icon0
Tweet 20
fb-share-icon20
Tagged
No Thoughts on চলমান কৃষক আন্দোলনের হাল হকিকত : পর্ব – ১

Leave A Comment